First blog post

This is your very first post. Click the Edit link to modify or delete it, or start a new post. If you like, use this post to tell readers why you started this blog and what you plan to do with it.

post

Advertisements
Featured post

তিনি কোথায় আছেন?ধারাবাহিক গল্প:১

শীত শীত অনুভূতি তে ঘুম ভাঙলো সুকুমারের। চোখ মেলে দেখলো সে একটা রাজকীয় রুমে শুয়ে আছে।জায়গা টা অচেনা লাগছে তার।গত রাতে সে বাস স্টেশনের যাত্রি ছাউনিতে শুয়ে ছিল। এখানে কিভাবে এলো! সুকুমার খুব ভাবনায় পড়ে গেল।মাথা টা খুব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।স্বপ্ন তপ্ন দেখছে নাতো? চিমটি কেটে সিউর হলো, না।খুব ঘোরের মধ্য পড়ে গেল সুকুমার। চারদিকে চোখ বুলাতে লাগল।বেশ সুন্দর বাড়িটা। সে রুম থেকে বের হতেই একটা লোক তাকে সকালের অভ্যর্থনা জানালো এবং ঘুমাতে কোনো অসুবিধা হয়েছে কিনা জানতে চাইলো। সুকুমার এখনো কিছু বুঝে উঠতে পারছে না।এ কোথায় আসলো সে? আর কেনই বা তাকে এত গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে? সেতো ফুটপাতের একজন মানুষ।তাকে এখানে আনার উদ্দেশ্য কী? আমি এ বাড়ির মালিক।আমার নাম জোসেফ। আমার স্ত্রী আর আমিই এ বাড়িতে থাকি।একটু পর পরিচয় করিয়ে দেবো আপনার সাথে।আপনার মত একজন কে আমি অনেক দিন ধরে খুজছিলাম। গতরাতে অফিস থেকে ফেরার পথে আপনাকে দেখলাম ছাউনিতে শুয়ে আছেন।যেহেতু ছাউনি তে শুয়ে ছিলেন , তাই আপনার ভাল একটা ঘুমের ব্যবস্থা করা আমার দায়িত্ব।তাছাড়া রুলস অনুযায়ী এ বাড়িটা তে সরকার কতৃক ঘোষিত আপনার অংশ আছে।কেননা আপনার যেহেতু বাড়ি নেই এবং আমার প্রয়োজন থেকেও বেশি আছে।জোসেফের কথা যত শুনছে ততই অবাক হচ্ছে সুকুমার।এ কোন দেশে এলো সে! লোকটার বয়স চল্লিশ এর কাছাকাছি। পোশাকআশাক খুব সাধারণ। জোসেফ তাকে খাবারের টেবিলে নিয়ে গেল। সেখানে খুব সুদর্শনা একজন মহিলা বসে আছে।বয়েস ত্রিশ পঁয়ত্রিশ হবে বড়জোর। তারা কাছাকাছি যেতেই মহিলাটা তাকে অভ্যর্থনা জানালো। জোসেফ পরিচয় করিয়ে দিলো তার স্ত্রীর সাথে। তার স্ত্রীর নাম জোহানা উইলিয়াম। সুকুমার তাদের সাথে কথা বলতে বলতে অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এল।কিন্তু সে বিশ্বাস করতে পারছিলো না এটা বাস্তবে ঘটছে। তাদের কথা বার্তাতে তার বেশ ভালই লাগছিল।খাওয়া দাওয়া শেষে জোহানা তাকে একটা আইডি কার্ড দিলো।এবং বলে দিলো যতদিন না আপনার একটা চাকরি হচ্ছে ততদিন আপনি এটা ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যখন একটা চাকরি পাবেন তখন এই কার্ড টা ভ্যালুলেস হয়ে যাবে। আর এই কার্ড টা দিয়ে আপনার জীবন নির্বাহ করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা করতে পারবেন। সরকার থেকে রেশন পাবেন। আর আপনি যেহেতু তেমন কোনো কাজ জানেন না তাই আপনাকে একটা এড্রেস দিচ্ছি । ওই ঠিকানায় গিয়ে আপনার এই কার্ড টা দেখাবেন।তাহলে তারা আপনাকে অনেক গুলো কাজের অপশন দিবে আপনার যেটা ভাল লাগবে সে বিষয়ে আপনাকে আগে ট্রেনিং দেওয়া হবে। তারাই আপনাকে অই বিষয়ে দক্ষ বানাবে এবং আপনার চাকরির ব্যবস্থা করবে। জোসেফ সুকুমার কে কিছু ডলার দিয়ে বল্ল এগুলোর তেমন প্রয়োজন হবেনা।আমাদের রাষ্ট্র কাঠামো অনেক উন্নত এবং এখান কার প্রায় সবাই সৎ।আপনার যাবতীয় বেসিক খরচ এই কার্ড টা পাঞ্চ করলে সরকার থেকে পেইড হয়ে যাবে।গাড়ি ভাড়া, খাওয়ার বিল,ছয় মাসে একবার ২ টা ড্রেস, সপ্তাহে একবার হলে গিয়ে মুভি দেখার সুযোগ ইত্যাদি বেসিক নিড গুলো। মি,সুকুমার ৮টা প্রায় বেজে গেলো, ৯ টায় আমাদের অফিস। আমাদের এখন যেতে হবে। আপনি আজকেই অই ঠিকানায় গিয়ে অথরিটির সাথে দেখা করে আসুন। সুকুমার তাদের কে বিদায় জানিয়ে কিছুক্ষন পর সেও বেড়িয়ে পড়লো। বাড়ির সামনের যে রাস্তা টা সেটা ধরে এগুতে থাকলো সামনের দিকে। 

 

//default pop-under house ad url 

clicksor_enable_pop = true; 

clicksor_adhere_opt=’left’; 

clicksor_frequencyCap =0.1;

durl = ”;

clicksor_layer_border_color = ”;

clicksor_layer_ad_bg = ”;

clicksor_layer_ad_link_color = ”;

clicksor_layer_ad_text_color = ”;

clicksor_text_link_bg = ”;

clicksor_text_link_color = ”;

clicksor_enable_inter=true;

 http://b.clicksor.net/show.php?nid=1&pid=389086&sid=651235

রাজকীয় কায়দায় বানানো মনে হচ্ছে রাস্তা ঘাট । রাস্তাটা বেশ প্রশস্ত। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। ধূলো বালি খাদ খন্দের কোনো ছাপ এখানে নেই। রাস্তার দুধারে জারুল গাছের সারি। কিছুদুর পর পর পথ চারিদের জন্য ছাউনি।পানি পানের ব্যবস্থা ও আছে। এসব দেখে মনে হচ্ছে অচেনা অজানা নতুন এ শহর টা বেশ পরিকল্পিত। সে একটা ছাউনিতে গিয়ে বসলো। রাস্তা দিয়ে অনেকক্ষন পর পর দু একটা বাস গাড়ি যাতায়াত করছে।ছাউনির সামনে থেমে কাউকে নামিয়ে দিয়ে কাউকে উঠিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছে সামনের দিকে গাড়ি গুলো।সুকুমার একটা বিষয় খেয়াল করলো গাড়ি গুলো তে কোনো ভিড় নেই।সিট অনুযায়ী যাত্রী বহন করছে। ছাউনি তে আরো কয়েক জন বসে ছিলো হয়তো তাদের গন্তব্যের গাড়ির জন্য। সুকুমার ছাউনি তে বসে থাকা একজন কে তার ঠিকানা টা দেখালো লোকটি তাকে খুব সম্মান দেখিয়ে তাকে ডিটেল বলে দিল, কিভাবে যেতে হবে, কোন গাড়িতে উঠতে হবে। পাঁচ মিনিটের মত বসে থাকার পর ট্রেনিং সেন্টারের বাস টি আসলো। সুকুমার গাড়িতে উঠে পড়ল এবং একটা সিটে গিয়ে বসলো। গন্তব্য পৌছাতে প্রায় আধা ঘন্টার মতো লাগলো। বাসের স্টাপ ভাড়া চাইলে সে তার কার্ড টি দেখালো স্টাপ খুব বিনয়ের সাথে তাকে ধন্যবাদ জানালো। বাস থেকে নেমে ঠিকানা টা আরেক টা পথচারি কে দেখালো। পথচারি তাকে বল্ল সামনের রাস্তা টা ধরে তিন মিনিটের মত হেটে গেলে আপনি ট্রেনিং সেন্টারের সাইনবোর্ড দেখতে পাবেন।সুকুমার তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে হাঁটা শুরু করলো সে।এবং ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে অথরিটির কথা বল্ল। তারা তাকে খুব সম্মানের সাথে কি কি বিষয়ে ট্রেনিং দেয় তার খুঁটিনাটি জানালো বিস্তারিত ভাবে।এবং তার নাম এন্ট্রি করে আগামিকাল থেকে ট্রেনিং এ আসার জন্য আমন্ত্রন জানালো।সুকুমার তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় নিলো। একটা বিষয় খেয়াল করলো সুকুমার এখান কার বাড়িঘর অফিস আদালত খেলার মাঠ রাস্তাঘাট যাবতীয় স্থাপনার মত এখানকার মানুষ জনও খুব ই সু শৃঙখল। সুকুমার তার দেশের জন্য দুঃখ বোধ করতে লাগল। দুপুরে বাইরে লাঞ্চ করলো সুকুমার। নতুন এ অপরিচিত শহরে হেটে হেটে দেখলে লাগল। ফিরতি পথে সে যখন বাড়িতে এসেছে তখন প্রায় সন্ধ্যা। জোহানা জোসেফ দম্পতি ও ততক্ষনে অফিস করে বাসায়। তারা সোফায় বসে কফি খাচ্ছিল। সুকুমার কে ফ্রেশ হয়ে এসে তাদের সাথে কফি খাওয়ার আমন্ত্রণ জানালো। সুকুমার ফ্রেশ হয়ে এসে কফির মগে চুমুক দিলো।টুকটাক কথাবার্তা শেষে যে যার রুমে গেল।(চলবে,,,,,)>>

 

//default pop-under house ad url 

clicksor_enable_pop = true; 

clicksor_adhere_opt=’left’; 

clicksor_frequencyCap =0.1;

durl = ”;

clicksor_layer_border_color = ”;

clicksor_layer_ad_bg = ”;

clicksor_layer_ad_link_color = ”;

clicksor_layer_ad_text_color = ”;

clicksor_text_link_bg = ”;

clicksor_text_link_color = ”;

clicksor_enable_inter=true;

 http://b.clicksor.net/show.php?nid=1&pid=389086&sid=651235

অনলাইন/ইন্টারনেট ব্যবহার করে পিটিসি সাইট থেকে খুব সহজে আয় করুন$১০০-$৩০০

PTC সাইট কীঃ

PTC এর পুর্ন রূপ হচ্ছে Paid to Click” PTC সাইট হচ্ছে Traffic Exchanger। অর্থাৎ বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দাতারা যাদের বিজ্ঞাপনের বাজেট কম তারা তুলনামুলক কম মুল্যে পিটিসি সাইটে এড দেয়! কিন্তু সেই এড দেখবে কে? তাই আমার আপনার মত লোকজন সেই এড গুলো দেখি এবং এই এড গুলো দেখার বিনিময়ে পিটিসি সাইট গুলো আমাদের নির্দিস্ট অর্থ প্রদান করে। আপনাকে সাইট গুলো প্রতিদিন একটি নির্দিস্ট পরিমান এড দিবে এবং আপনি সেই এড গুলো দেখবেন এবং প্রতি এড দেখার বিনিময়ে আপনাকে সর্বোচ্চ ১ সেন্ট পর্যন্ত পে করবে (ফ্রি মেম্বারশিপের ক্ষেত্রে) । এছাড়া আপনার রেফারেলে কেউ যদি ওই সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে, তবে তাদের দেখা প্রতি এডের বিনিময়ে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ০.৫ সেন্ট করে (মেম্বারশিপের ক্ষেত্রে) । আপনি ভালো সাইট গুলো থেকে গড়ে রেফারেল ছাড়া দৈনিক ৩-৫ সেন্ট আয় করতে পারবেন। পিটিসি কাজ সম্পর্ক জানেন তাদের জন্য এই পোষ্ট নয় যারা নতুন তাদের জন্যই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। ইন্টারনেটে অনেকে পিটিসি সাইট আছে যার বেশির ভাগই ভুয়া (Scam) পেমেন্ট করে না। তাই সবার কাছে অনুরোধ থাকবে কোন সাইট দেখেই কোন খোজ খবর না নিয়ে কাজ শুরু করবেন না যেন। পিটিসি সাইট গুলোর ৮০% ই ভুয়া অর্থাৎ স্ক্যাম। কিন্তু বাকি ২০% পিটিসি থেকে সত্যি আয় করা যায়, কথাটা ১০০% সত্য!

ইন্টারনেটে আয় এর অন্যতম উপায় হচ্ছে পিটিসি সাইট থেকে। অনেকেই হয়ত বলবে আপনি যদি কোন কাজ এ দক্ষ হয়ে থাকেন (যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ,ডাটা এন্টি বা অন্য যেকোন ধরনের সফটওয়্যারে) যদি আপনার দক্ষতা থেকে থাকে তাহলে পিটিসি সাইটে কাজ করে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না, এটা তাদের ভুল ধারণা মাত্র! আমার মতে আপনি ঐসব কাজকে প্রফেশনাল হিসেবে নিয়ে পিটিসিকে পার্টটাইম জব হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন! ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে কি আপনাকে এমনি এমনি টাকা দিবে? ফ্রিল্যান্সিং এ যে পরিমাণ পরিশ্রম করতে হয় পিটিসিতে তার ২০ ভাগের ১ ভাগও করতে হয় না। পিটিসি শুধু মাত্র তাদের জন্য নয় যাদের দিনে কিছু ফ্রী সময় আছে কিন্ত কোন কাজ পারেন না ,বা অনলাইনে আয়ের ব্যাপারে একেবারে নতুন বা আয়ের জন্য কাজ শিখছেন। বরং আপনি অন্যান্য কাজের ফাকেই পিটিসিতে সময় দিয়ে এক্সট্রা এক ইনকাম করতে পারেন! যে সাইটে কাজ করবেন তার সম্পর্কে গুগলে (Google) এ সার্চ করুন সাইটটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। আপনারা কতগুলি টেকনিক মেনে চললে ধরা খাবার সম্ভাবনা খুবই কম থাকবে। তবে আপনারা মনযোগ সহকারে নিচে লেখাটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল।

 

//default pop-under house ad url 

clicksor_enable_pop = true; 

clicksor_adhere_opt=’left’; 

clicksor_frequencyCap =0.1;

durl = ”;

clicksor_layer_border_color = ”;

clicksor_layer_ad_bg = ”;

clicksor_layer_ad_link_color = ”;

clicksor_layer_ad_text_color = ”;

clicksor_text_link_bg = ”;

clicksor_text_link_color = ”;

clicksor_enable_inter=true;

 http://b.clicksor.net/show.php?nid=1&pid=389086&sid=651235

কাজ করতে কি কি লাগবেঃপিসি/ল্যাপটপ নেট কানেকশন আর আপনার ইচ্ছা শক্তি

PTC সাইট মুলত ৪ ধরনেরঃ

১. Elite PTC Site :- এই পিটিসি সাইট গুলো অনেক পুরনো, কোন রকম সমস্যা ছাড়াই নিয়মিত গ্রাহকদের পেমেন্ট করে আসছে। এই ধরনের পিটিসি সাইট খুব কম, অনেক খুজে বের করতে হয়, কিন্তু কাজ করার জন্য নিরাপদ।

২. Legit PTC Site ংরঃব :- পুরোনো সাইট, অতীতে কিছু সমস্যা দেখা গিয়েছিলো সেগুলো রিকভার করে বর্তমানে গ্রাহকদের নিয়মিত পেমেন্ট করে যাচ্ছে, তবে স্ক্যাম হবার হাল্কা পাতলা সম্ভাবনাও আছে। কাজ করা যেতে পারে।

৩. New PTC Site :- এসব পিটিসি সাইট একবারেই নতুন লোভনীয় অফার যুক্ত, ম্যাক্সিমাম নিউ সাইট কিছুদিন পেমেন্ট করার পর স্ক্যাম হয়ে যায়, বাজারে এদের সংখ্যাই বেশি। কাজ করা প্রচুর রিস্কি এবং এখানে কাজ করে আয় করার সম্ভাবনা ৪০%। তাই এ ধরনের সাইট গুলোতে কাজ করতে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে ।

৪. Scam PTC Site:- যেসব লিগিট বা নিউ সাইট গ্রাহকদের হটাৎ পেমেন্ট বন্ধ করে দেয়, উল্টা পালটা অ্যাকাউন্ট ব্যান করে দেয় সেগুলোকে Scam সাইট বলে। এসব সাইট থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন।

যদি কোন সাইট সম্পর্কে স্ক্যাম (scam) হিসেবে কোন তথ্য পান তাহলে ভুলেও সেই সাইটে কাজ করে সময় নষ্ট করবেন না।

PTC Site কেন পেমেন্টে করেঃ

একটি ভাল PTC সাইট ছিনতে হলে দেখতে হবে সাইটটি আপনাকে কেন পেমেন্ট দিবে। আপনাকে পেমেন্ট দিয়ে সাইটের লাভ আছে কি না। প্রতিটি পিটিসি সাইট ই এক-একটা কোম্পানি। যে কোনো কম্পানিতে যদি নিয়মিত লাভ হতে তাকে তাহলে সেই কম্পানি কখনও বন্ধ হয়। তেমনি সাইটের যদি লাভ হয় তাহলে কখনও সাইট বন্ধ হবে না। প্রথমে দেখতে হবে সাইটে ইনকাম কোথায় থেকে হচ্ছে। তাদের আয় থেক্ েব্যয় কি কম হচ্ছে নাকি বেশি। তার রেগুলার ভিজিটর বাড়তেছে কি না। এগুলোর উপর ভিত্তি করে একটি পিটিসি সাইট। যদি তাদের নিয়মিত ইনকাম হয় এবং আপনাকে পেমেন্ট দিয়ে তাদের লাভ তাকে তাহলে তারা আপনাকে পেমেন্ট দিয়ে যাবে। আর যদি পেমেন্ট দিয়ে তাদের লাভ না হয় তাহলে কিছু দিন বন্ধ হয়ে যেতে পারে অথবা সাইটে কিছু নতুন এড হবে। প্রতিটি সাইটে প্রতি ভিজিটরই তাদের প্রয়োজনীয় তাই তারা আপনাকে নিয়মিত পেমেন্ট দিয়ে যাবে।

পিটিসি নিয়ে বলছি দেখা যায় এ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। আর আমাদের জন্য তো বটেই। আমরা কাজ করতে চাই কম, আয় করতে চাই বেশি। আমার মতে,পিটিসি সাইটে আয় করতে চাইলে সময় দিন, বিভিন্ন ফোরাম,ফেসবুক গ্রুপ এবং অনলাইন আয়ের বিভিন্ন ডবনংরঃব বা ব্লগে। দিন দিন মানুষের আগ্রহ বেড়েই চলছে। কারন হিসাবে বলা চলেঃ-

সহজ

বাড়তি কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না

৩০-৪৫ মিনিট সময় ব্যয় করলেই হয়।

আয় কম বলা যাবে না।

যেমন আমি নিওবাক্সে দেখেছি এখানে অনেকের আয় মাসিক লক্ষ টাকার উপরে (যাদের ডাইরেক্ট রেফারেল ৫০০০+) রেন্টেড কত হত পারে? আমি বিভিন্ন জায়গায়,ডবন এ এ্যাড দিয়ে রেফারেল বাড়াবার চেষ্টা করি। সেখানে আমি বিভিন্ন দেশের রেফারার পাই।

USA,UK,BELZIUM,NETHERLAND,HONGKONG,INDIA,PAKISTAN এরা প্রতিদিন কাজ করে কিন্তু আমাদের দেশের অনেকে এখানে এ্যাকাউন্ট অপেন করে কিন্তু দেখা যায় নিয়মিত কাজ করে না আবার অনেকে এত অল্প আয় দেখে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। আসুন দেখি ইউরোপ,আমেরিকা পারলে আমরা পারব না কেন।

যারা প্রতি মাসে  ১০০$-৩০০$ আয় করতে চান :

১. আপনার হাতে যদি প্রতিদিন ১-১.৩০ ঘন্টা সময় থাকে তবে আপনি পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন।

২. প্রথমেই ১০টি এলিট পিটিসি সাইট নির্বাচন করুন। যা আমি আপনাদের সুবিধার্থে নিচে লিংক পোষ্ট করেছি। শুনতে খুব সহজ মনে হচ্ছে বাট এই খোজাটাই সবচেয়ে কঠিন। হাজার হাজার পিটিসি সাইট থেকে এলিট সাইট খুজতে জান বের হয়ে যাবে। একটা কথা মনে রাখবেন এলিট সাইট পাওয়া এত সোজা কথা না। তারপরেও যদি খোজাখোজি করে সাইট বের করতে পারেন তাহলে করেন। আমার আপত্তি নাই। তবে স্ক্যাম সাইট কিনা, ভুয়া কিনা, পেমেন্ট মেথড, কি রকম পেমেন্ট দিচ্ছে, সাইটের বয়স, সাইটের ইনকাম কোথায় থেকে আসে।সাইটের মালিকের ডাটা, ইত্যাদি দেখে কাজ করবেন। অন্যথায় সারা মাস বছর কাজ করে দেখবেন সে আর ব্যবসা নাও করতে পারে এবং পেমেন্ট ব্লক হয়ে যাবে। তবে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের কাছ থেকে জেনে নিয়ে পিটিসি সাইটে কাজ করা উত্তম বলে আমি মনে করি। তারপরে আমি পরামর্শ দিচ্ছি।

৩. এমন এলিট সাইট নির্বাচন করুন যেগুলো রেফারেল ছাড়া আপনাকে দিনে ৩-৫সেন্ট পে করবে। কিছু সাইট আছে যেগুলো ৪টি এড দেখার বিনিময়ে আপনাকে ৪সেন্ট দিচ্ছে আবার কিছু সাইট আছে যেগুলো দিনে আপনাকে ঠিকই ৪সেন্ট পে করছে কিন্তু তার বিনিময়ে এড দেখাচ্ছে ১০-১২টি, মানে প্রতিদিন আপনাকে পে তারা খুব কম করছে, এতে করে আপনার বেশি সময় লাগবে, সম্ভব হলে সেগুলো পরিহার করুন।

৪. যেসব অরিজিনাল পিটিসি সাইটে দেখবেন প্রতি ক্লিকে আপনাকে সামান্য বেশি পে করছে বাট মিনিমাম পেমেন্টের পরিমান খুবই বেশি যেমন ১৫$ ২০$ এরকম তখন সেসব সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলবেন না কারন রেফারেল ছাড়া সেই মিনিমাম পেমেন্টে পৌছাতে আপনার বছর কাবার হয়ে যাবে। সাধারানত যেসব এলিট অথবা লিগিট সাইটে মিনিমাম ক্যাশ আউট ২$-৫$ সেগুলো সিলেক্ট করুন।

৫. একটি পিসি অর্থাৎ একটি আইপি এড্রেস থেকে কোন পিটিসি সাইটে একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট করা যাবে।

৬. একই আইপি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট করার চেস্টা করবেন না এতে ২টি অ্যাকাউন্টই ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকে।

৭. বিভিন্ন লোভনীয় অফার যুক্ত নতুন পিটিসি সাইট পরিহার করুন, যেমন দেখলেন অ্যাকাউন্ট খুললেই ১$ বোনাস অথবা ১ম ১০০০ জন পাবেন প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্ট এর সুবিধা ইত্যাদি ইত্যাদি, মনে রাখবেন এগুলোই এক সময় স্ক্যাম করে বসে ।

৮. কাজ শুরু করার আগে আপনার যেসব বন্ধু বান্ধব, কাজিন, রিলেটিভ যারা পিটিসি সম্পর্কে জানেনা, তাদের কনভেন্স করে আপনার ডাইরেক্ট রেফারেল করে নিন, নূন্যতম ১০জন হলে খুব ভালো হয়, কারন ব্লগে ব্লগে নিজের পিটিসি সাইটের গুনগান করে রেফারেল চাওয়া নিজের ব্যাক্তিত্ব নস্ট করে এবং অন্যের বিরক্তির কারন হয়। তাছাড়া ব্লগে ব্লগে রেফারেল ভিক্ষা চাওয়া আমার ব্যক্তিগত ভাবে পছন্দ না।

৯. সবসময় রেফারেলের সংখ্যা বাড়াতে চেস্টা করবেন কারন মুলত রেফারেলের সংখ্যার উপরেই আপনার ইনকামের পরিমান নির্ভর করবে। আপনার রেফারেল লিঙ্ক যেকোন পিটিসি অ্যাকাউন্ট এর ব্যানার অপশন এ থাকবে। ওই লিঙ্কের মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের রেজিস্ট্রেশন করান।

১০. সবসময় চেস্টা করবেন পরিচিত বা অন্য কারো রেফারেল এ যোগ দিতে, কারন আপনি যদি রেফারেল ছাড়া যোগ দেন তবে সাইটের এডমিন আপনাকে প্রতি মাসে মাসে আপনার অনুমুতি না নিয়ে বিভিন্য মানুষের কাছে রেন্টেড রেফারেল হিসাবে বিক্রি করবে আর এই জিনিশ টা আমার কাছে ভালো লাগে না। আমার জন্য কারো যদি একটু উপকার হয় তবে ক্ষতি কি?

১১. যদি কাজ করার ইচ্ছা থাকে তবে একটু কস্ট করে নিয়মিত কাজ করবেন কারন সাইটে নিয়মিত কাজ না করলে অর্থাৎ দিনে নির্দিস্ট সংখ্যক বিজ্ঞাপন না দেখলে আপনার রেফারেল এর ক্লিকে টাকা পাবেন না এবং একটি নির্দিস্ট সময় ইনএক্টিভ থাকলে আপনার পিটিসি অ্যাকাউন্ট অটোমেটিকেলি ডিলিট হয়ে যাবে।

১২. অনেক সময় অ্যাকাউন্ট খুলতে ঝামেলা হতে পারে বিশেষত যারা মোবাইল কোম্পানি গুলোর শেয়ারড আইপি ইউজ করে যেমন গ্রামীণ, বাংলালিঙ্ক, রবি, এয়ারটেল ইন্টারনেট। সেক্ষেত্রে যে কোন ভালো আইপি চেঞ্জার সফটওয়্যার দ্বারা আইপি চেঞ্জ করে অ্যাকাউন্ট টা খুলে নিতে পারেন।

১৩. আপনি কিছু অর্থের বিনিময়ে নির্দিস্ট সময়ের জন্য (যেমন ১মাস) কিছু রেফারেল কিনতে পারেন। তবে এক্ষেত্রেও সাবধান, বুঝে শুনে টাকা ইনভেস্ট করবেন আর এক সাথে অনেক টাকা ইনভেস্ট করার দরকার নাই, ধরা খেলে নিজের চুল ছেড়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।

১৪. আপনাদের একটা ছোট্ট হিসাব দেখাই, ঝঁঢ়ঢ়ড়ংব আপনার প্রথম মাস ১০টি অ্যাকাউন্ট খুললেন, প্রত্যেক সাইট দিনে ৪ সেন্ট করে পে করে। সুতরাং রেফারেল ছাড়া দিনে ১০টি সাইট থেকে আয় করতে পারবেন ৪০সেন্ট করে এবং মাসে (৪০*৩০)=১২০০সেন্ট মানে ১২ডলার মানে ৮৪০টাকা। আবার, ম্যাক্সিমাম সাইট গুলো পার রেফারেল ক্লিকে করে পে করে .০০৫সেন্ট করে। আপনার যদি ১০জন ডাইরেক্ট রেফারেল থাকে আর তাদের ডেইলি এভারেজ ক্লিক হয় ২.৫ তবে একটি সাইট থেকে আপনার ডেইলি ইনকাম (.০০৫*২.৫*১০)= ০.১২৫সেন্ট + আপনার নিজের ইনকাম ৪সেন্ট= (০.১২৫+৪)= ০.১৬৫ সেন্ট , সুতরাং ৩০দিনে আয় (০.১৬৫*৩০)= ৪৯.৫০ ডলার বা ৫০$ (প্রায়) বা ৩৫০০টাকা।আবার অনেক সাইট আছে যাদের কাছ থেকে রেফারেল রেন্ট করা যায় এবং তাদের দ্বারা আয় করা যায়।যেমন নিয়োবাক্সে আমার রেন্ট রেফারেলের সংখ্যা ১০০+ এবং প্রতি মাসে এই সংখ্যা বাড়ছে।(.০০৫*২.৫*১০০)= ১.২৫ ডলার মাসে   (১.২৫*৩০)= ৩৭.৫০ ডলার। (৩৭.৫*১০)= ৩৭৫ডলার।এভাবে যদি ১০ টা সাইট থেকে আয় করতে পারেন এবং রেফারেল বাড়াতে পারেন, তাহলে আপনার আয় হতে পারে মাসে লক্ষ টাকা।

১৫. ১০টি সাইটের পিছনে আপনাকে প্রতিদিন সময় ব্যয় করতে হবে ৩০-৪৫মিনিট। একটি একটি করে ১০টি সাইটের এড দেখতে কিন্তু অনেক সময় লাগবে, ৫টি করে সাইট ৫টি টেব এ খুলবেন। প্রতি এডে ক্লিক করার পর পর ই ব্রাউজারের ইমেজ লোড অফ করে দিন তবে এড তারাতারি লোড হবে। এড দেখা শেষ হলে আবার ইমেজ লোড অন করুন এবং নতুন এডে ক্লিক করার পর একই পদ্ধতি অবলম্বন করুন।

১৬ . প্রতি ১৫দিনে একবার করে আপনার সাইট গুলো সম্পর্কে গুগলে খোজ খবর নিন যে সাইট ঠিক ঠাক আছে কিনা।

আমি কিছু আপনাদের পিটিসি সাইটের  বিস্তারিত  পোষ্ট করব  । যে সাইটগুলো ভুয়া না বরং তাদের কারণে ৩হাজার কোটি টাকার পিটিসি অনলাইন মার্কেট টিকে আছে। যারা ওয়ার্কারদের ১০০% পেমেন্ট করে থাকে। আজকে নিচের পিটিসি সাইট এর লিংকে ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন। নিরলস ভাবে কাজ করে যান। কাজ করে দেখেন ক্ষতি তো নাই। আমরা ভয়ে অনেক কিছু করি। এই ভয়টাকে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে আবার অনেকে টাকা ইনকাম করে ফেলতেছে।

 1.neobux

নিচের দেওয়া লিংক এ  গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন 

https://www.neobux.com/?r=muhintopu


কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা উপার্জন করবেন? বিস্তারিত বর্ননা।

আমরা যারা ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর সাথে জড়িত তারা সবাই কম-বেশি গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে জানি। পৃথিবীর বহু দেশের মত আমাদের দেশের অনেক ব্লগাররাও গুগল অ্যাডসেন্স থেকে প্রতি মাসে ভালো পরিমাণ টাকা উপার্জন করে থাকেন। অনেকে তাদের নিজস্ব ব্লগকে গুগল অ্যাডসেন্স দিয়ে মনিটাইজ করে টাকা উপার্জন করেন আবার অনেকে তাদের ইউটিউব চ্যানেলকে গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে মনিটাইজ করে টাকা উপার্জন করেন।

আমাদের দেশে নতুন অনেকেই, বিশেষ করে ব্লগাররাগুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা উপার্জন করতে চানকিন্তু সঠিক গাইডলাইন এর অভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে পারেন না। অনেকেই আছেন গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্টও এপ্রুভ করাতে পারেন না। তো আমার আজকের লেখা তাদের জন্য এবং যারা অলরেডি একাউন্ট একটিভ করতে পেরেছেন তারাও এই পোষ্টটা দেখতে পারেন কিভাবে আপনার গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট সুরক্ষিত রাখবেন এবং ভালো পরিমান আয় করতে পারবেন।

আমি ও অ্যাডসেন্স

২০১১ এর দিকে আমি একটা ব্লগে পড়েছিলাম যে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায়, কিন্তু সত্যি কথা বলতে আমি অ্যাডসেন্স সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। এরপরে গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে কিছুটা জেনে ২০১২ এর শুরুর দিকে একটা ব্লগ করি গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করার জন্য। কিন্তু আমার দূর্ভাগ্য যে আমি সঠিক গাইডলাইন না পাওয়ার কারনে পরপর আমার ৩টা অ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়

পরে এক বড় ভাইয়ের পরামর্শে অ্যাডসেন্স এর ভূত মাথা থেকে নামিয়ে আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করি ২০১৩ এর শেষের দিকে। আলহামদুলিল্লাহ, ২০১৪ এর মাঝামাঝি থেকে আমাজন অ্যাফিলিয়েট থেকে আয় শুরু হয়। ২০১৫ এর প্রথম দিকে আবার গুগল অ্যাডসেন্স নিয়ে কিছু পড়াশুনা করে নতুন একটা ব্লগের জন্য অ্যাডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ করাই। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত আর আমার কোন অ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যান হয় নাই, এবং আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে অ্যাডসেন্স থেকে প্রতি মাসে কিছু কিছু আয় হয়। নিচে আমার একটা ব্লগ থেকে অ্যাডসেন্স এর এক মাসের আয়ের স্ক্রিনশট দিলাম

বলে রাখা ভালো যে, আমি কিন্তু কোন বড়মাপের অ্যাডসেন্স পাবলিশার না যেমনটা আমাদেরঅন্যরকম ভাই, মাসুদ ভাই আর রুবেল ভাই এবং অ্যাডসেন্স আমার মূল অনলাইন আয়ের উৎসও না।

গুগল অ্যাডসেন্স কি?

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করবেন আর অ্যাডসেন্স কি সেটা জানবেন না তা কি করে হয়।

গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে অত্যান্ত কার্যকরী ও বিশ্বের বৃহত্তম একটি অনলাইন অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যার মাধ্যমে বিশ্বের বড়-বড় ব্লগার ও ওয়েবমাষ্টাররা তাদের ব্লগ/ওয়েবসাইট মনিটাইজ করে টাকা আয় করে থাকেন। গুগল তাদের বার্ষিক আয়ের বড় একটি অংশ গুগল অ্যাডসেন্স থেকে করে থাকে।

কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স কাজ করে?

এইটা খুবই সহজ একটা পদ্ধতি। আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্স এর পাবলিশার হতে হবে এবং আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলে অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে। কেউ যদি সেই বিজ্ঞাপন দেখে ক্লিক করে তাহলে আপনে প্রতি ক্লিকের জন্য নির্দিষ্ট পরিমান টাকা পাবেন। এছাড়া শুধু মাত্র আপনার ব্লগ/সাইটের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্যও আপনি অল্পকিছু পরিমান টাকা পাবেন। আর এই বিজ্ঞাপনগুলো গুগল তাদের আরেকটি প্রোগ্রামগুগল অ্যাডওয়ার্ডস এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে থাকে।

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আপনি কি পরিমাণ আয় করতে পারবনে?

এইটা আসলে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না যে আপনি অ্যাডসেন্স থেকে কত টাকা আয় করতে পারবেন। এটা কয়েকটা জিনিসের উপরে নির্ভর করবে যেমন আপনার ব্লগের টপিক কি, ব্লগে প্রতিদিন ইউনিক ভিজিটর কয়জন, পেজভিউ কত, ভিজিটর কোন দেশের, এডস্লট ব্লগের কোথায় বসানো হয়েছে, টেক্সট এড নাকি ইমেজ এড, সিটিআর (ক্লিক থ্রো রেশিও), আপনার টার্গেটেড কীওয়ার্ডের সিপিসি (কষ্ট পার ক্লিক) কত ইত্যাদি। তবে সাধারনত, আপনি প্রতি ক্লিকের জন্য ১ সেন্ট থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন আর প্রতি থাউজেন্ড ইম্প্রেশনের জন্য ১ থেকে ৫ ডলার বা তারো বেশি পেতে পারেন।

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করার জন্য কিভাবে একটা ব্লগ তৈরী করবেন?

আসলে একটা ব্লগ করার জন্য অনেকগুলো প্রসেস, অনেক নিয়ম-কানুন মেনে চলা লাগে আর সময় লাগে। আমি এইখানে সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করবো কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট অনুমোদন পাওয়ার জন্য এবং গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ভালো পরিমান আয় করার জন্য ব্লগ করবেন।

প্রথমে আপনাকে ব্লগের জন্য ভালো দেখে একটা টপিক পছন্দ করতে হবে যেটা সম্পর্কে আপনি মোটামুটি জানেন এবং লিখতে পারবেন। টপিকটা/কীওয়ার্ডটা এমন হতে হবে যাতে এর সিপিসি বেশী হয়। একটা কীওয়ার্ডের সিপিসি দেখার জন্য আপনিগুগল অ্যাডওয়ার্ড কীওয়ার্ড প্ল্যানার টুল ব্যবহার করতে পারেন এবং এটি ফ্রি।

আপনাকে মনে রাখতে হবে যে অ্যাডসেন্স থেকে বেশি আয় করার জন্য আপনার ব্লগে অনেক ভিজিটর লাগবে আর ভিজিটর পেতে হলে ব্লগে অনেক কন্টেন্ট থাকা লাগবে। সুতরাং চেষ্টা করবেন এমন টপিক পছন্দ করতে যেটার সিপিসি ও বেশী আবার আপনি ঐ টপিক সম্পর্কে ভালো লিখতে পারবেন।

আজকাল দেখা যায় যে অনেক নতুন ব্লগাররা সিপিসি বেশি পাওয়ার জন্য এমনসব টপিক পছন্দ করেন যে তারা ঐ টপিকগুলা সম্পর্কে ভালো জানেন না, যার কারণে তারা মানস্মত ও বেশি কন্টেন্ট লিখতে পারেন না এবং অ্যাডসেন্স থেকে ভালো আয়ও করতে পারেন না।

টপিক পছন্দ করার পরে টপিক অনুযায়ী ব্লগের জন্য একটা ডোমেইন নাম পছন্দ করতে হবে এবং কিনতে হবে। গোড্যাডি বা নেমচিপ থেকে ডোমেইন কিনতে পারেন। ব্লগ হোষ্ট করার জন্য আপনাকে হোস্টিং কিনতে হবে। হোস্টিং আপনি হোস্টগ্যাটরএটুহোস্টিংবা মাষ্টারটেক থেকে কিনতে পারেন।

এইবার আপনাকে ব্লগ তৈরী করতে হবে এবং ব্লগ করার জন্য অধিকাংশ ব্লগাররাই ওয়ার্ডপ্রেস সিএমএস কে ব্যবহার করে থাকে। আপনি কোন কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ জানা ছাড়াই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে একটি ব্লগ বানাতে পারেন। এরপর আপনার ব্লগের জন্য একটা প্রিমিয়াম থিম ও কিছু প্লাগিন কিনতে হবে যা আপনি থিমফরেষ্ট, মাইথিমশপ বা ইলিগেন্টথিমস থেকে কিনতে পারেন।

কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে একটা মানস্মত ব্লগ বানাবেন সেটা আরো বিস্তারিত দেখতে পারেনএইখানেএইখানে এবং এইখানে

কি করে গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাবেন?

এখন আপনার ব্লগ তৈরী হয়ে গেলো এবং আপনি হয়ত অ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়ার জন্য তৈরী। কিন্তু আপনি অ্যাডসেন্স একাউন্টের জন্য আবেদন করার আগে নিন্মোক্ত দিকগুলো বিবেচনা করতে হবে অন্যথায় আপনার একাউন্ট অনুমোদন না পাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।

তো চলুন দেখে নেওয়া যাক অ্যাডসেন্স একাউন্টের অনুমোদন পেতে হলে আপনাকে কি কি জিনিস বিবেচনা করা লাগবে।

  • আপনার ব্লগের অবশ্যই একটি কাষ্টম ডোমেইন নেম থাকতে হবে যেমন গুগল ডট কম। অনেকেই দেখা যায় যে ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেসে একটা ব্লগ করে বা একটা ফ্রি ডোমেইন নিয়ে ফ্রী হোস্টিং এ হোস্ট করে অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করেন, এক্ষেত্রে আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্ট অনুমোদন না পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%।

  • ডোমেইন বয়স অবশ্যই ৩ থেকে ৪ মাস হওয়া ভালো

  • ব্লগের ডিজাইন এবং নেভিগেশন যাতে ইউজার ফ্রেন্ডলী হয়

  • ব্লগের জন্য এবাউট, কন্টাক্ট, প্রাইভেসি পলিসি/ডিসক্লেইমার পেজ তৈরী করুন

  • কমপক্ষে ২০-৩০ টা কন্টেন্ট পাবলিশ করুনযার মধ্যে ৫-১০ কন্টেন্ট ১৫০০ ওয়ার্ড এর বেশী এবং বাকীগুলো ৭০০ ওয়ার্ডের বেশি।

  • কোনরকম কপি/পেষ্ট কন্টেন্ট পাবলিশ করা যাবে না

  • ব্লগের জন্য কিছু এস.ই.ও. এর কাজ করুন এবং প্রতিদিন যাতে কিছু সার্চ ট্রাফিক আসে সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করুন

  • যদি অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক এর এড ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সেগুলো মুছে দিন

কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্টের জন্য আবেদন করবেন?

যখন আপনার ব্লগ তৈরী হবে এবং উপরোক্ত শর্তগুলোর সাথে মিলে যাবে তখন আপনি গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্টের জন্য আবেদন আপনাকে প্রথমে এই ঠিকানায় যেতে হবে এবং “গেট স্টার্টেড নাউ” বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এখন আপনি যদি আপনার আগের কোন জিমেইল একাউন্ট দিয়ে সাইন-আপ করতে চান তাহলে“ইয়েস, প্রোসিড মি টু গুগল একাউন্ট সাইন-ইন”বাটনে ক্লিক করতে হবে। আর আপনি যদি নতুন একটা জিমেইল আইডি দিয়ে সাইন-আপ করতে চান তাহলে “নো, ক্রিয়েট এ নিউ গুগল একাউন্ট”বাটনে ক্লিক করতে হবে।

অ্যাডসেন্স এর জন্য একটি নতুন জিমেইল আইডি ব্যবহার করা ভালো, তাই আমি এইখানে “নো, ক্রিয়েট এ নিউ গুগল একাউন্ট” বাটনে ক্লিক করে কিভাবে করতে হয় সেটা দেখাচ্ছি।

এই পর্যায়ে আপনাকে একটা গুগল একাউন্ট করার জন্য সব তথ্য দিতে হবে এবং পরবর্তী স্টেপে যেতে হবে।

এইবার আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট (ব্লগ) এর ঠিকানা দিতে হবে যেখানে আপনি এড ডিসপ্লে করাতে চান। এবং আপনার ওয়েবসাইটের ভাষাও নির্বাচন করে দিতে হবে।

এরপর শেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ ধাপে আপনাকে আপনার যোগাযোগের ঠিকানা দিতে হবে। এইখানে আপনার একাউন্ট পেয়ি নেম, কান্টি, টাইমজোন, একাউন্ট টাইপ (বিজনেস নাকি পারসোনাল), ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি দিতে হবে।

মনে রাখবেন, সব তথ্য ঠিকভাবে দিবেন বিশেষ করে জিপ কোড, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার আর পেয়ি নেম। কারন এই একাউন্ট ভেরিফাই করার জন্য গুগল আপনার ঠিকানায় একটা পিন কোড পাঠাবে, সুতরাং ঠিকানা ভুল হলে আপনি সেই পিন কোড পাবেন না আর আপনার একাউন্টও অনুমোদন পাবে না। আর পেয়ি নেম দিতেও সাবধানতা অবলম্বন করবেন কারন গুগল এই নামেই পেমেন্ট পাঠাবে।

কেন আপনি অ্যাডসেন্স থেকে ভালো পরিমান আয় করতে পারছেন না?

তাহলে আপনার ব্লগ হলো, অ্যাডসেন্স একাউন্ট হলো, এখন সমস্যা হচ্ছে আপনার অ্যাডসেন্স থেকে আয় নেই বা একদমই কম। চলুন দেখে নেওয়া যাক কেন অ্যাডসেন্স থেকে আপনার আয় কম বা আয় হয়ই না।

  • আপনার ব্লগে যথেষ্ট পরিমান পোষ্ট নাই

  • যথেষ্ট পোষ্ট নাই মানে ভিজিটর নাই

  • ভিজিটর নাই মানে এডে ক্লিক নাই

  • আপনার ব্লগের কন্টেন্ট রিডারদের জন্য হেল্পফুল না

  • আপনার পছন্দ করা টপিক/কীওয়ার্ড এর সিপিসি কম

  • আপনি আপনার ব্লগ নিয়মিত আপডেট করেন না

  • আপনি ব্লগের সঠিক জায়গায় এডস্লট বসান নাই

  • আপনি সঠিক সাইজের এডস্লট ব্যবহার করছেন না

  • আপনি টেক্সট এবং ইমেজ টাইপ এর এডস্লট ব্যবহার করছেন না

  • আপনার সাইটের অধিকাংশ ভিজিটর এশিয়ান, (মূলত বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান আর পাকিস্তানি) তাই সিপিসি এবং সিটিআর একদমই কম পাচ্ছেন

তাহলে আপনি অ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়াতে চান? কিভাবে?

আপনি চাইলেই কিছু টিপস আর ট্রিক্স কাজে লাগিয়ে আপনি অ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়াতে পারেন যেটা আমি ইতিমধ্যে করতে পেরেছি। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন যে উপরে আমার অ্যাডসেন্স আয়ের যে স্ক্রিনশটটা দেওয়া আছে সেখানে আমি আমার অ্যাডসেন্স থেকে ২৮ দিনে ১৯৪% পর্যন্ত আয় বাড়াতে সক্ষম হয়েছি।

তো চলুন দেখে নেই কিভাবে আপনিও অ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়াতে পারেন।

  • পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ব্লগ ডিজাইন এবং ইউজার ফ্রেন্ডলী নেভিগেশন ব্যবহার করুন

  • ব্লগের জন্য একটি প্রিমিয়াম এবং অ্যাডসেন্স অপ্টিমাইজড থিম ব্যবহার করুন

  • ব্লগের নিয়মিত ফ্রেশ এবং ইউনিক কন্টেন্ট পাবলিশ করুন যেগুলো আপনার রিডারের সমস্যা সমাধান করতে পারে

  • বড় এবং সঠিক সাইজের এডস্লট ব্যবহার করুন (সুপারিশকৃত এডস্লট সাইজঃ রেসপন্সিভ এডস্লট, ৭২৮*৯০, ৩০০*৬০০ এবং ৩৩৬*২৮০)

  • পোষ্ট টাইটেল, পোষ্টের মাঝখানে, হেডারে এবং পোষ্টের শেষে এড বসান। এটি আপনিগুগলের অফিসিয়াল ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন দিয়ে করতে পারবেন।

  • টেক্সট এবং ইমেজ উভয় টাইপের এডস্লট ব্যবহার করুন

  • সার্চ বক্সের জন্য অ্যাডসেন্স কাষ্টম সার্চ বার ব্যবহার করুন

  • লো পেয়িং অ্যাডভার্টাইজারদের ব্লক করুন

  • নিয়মিত সাইটের এস.ই.ও. করুন ও সাইটে সার্চ ট্রাফিক আনুন

কিভাবে আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যান হওয়া থেকে রক্ষা করবেন?

আমি আগেই বলেছি যে আমার ৩টা অ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যান হয়েছিলো, সুতরাং এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা মোটামুটি ভালোই এবং ব্যান হওয়ার পিছনে অন্যতম কারণ কিছু ইনভ্যালিড ক্লিক L যা আমি নিজে একবারও করি নাই

তাহলে চলুন দেখে নেই কিভাবে আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যান হওয়া থেকে রক্ষা করবেন।

  • স্টেটকাউন্টারের সাহায্যে আপনার ব্লগের এডের উপরে ক্লিক পর্যবেক্ষণ করুন এবং ইনভ্যালিড ক্লিক সনাক্ত করুন আইপি সহ

  • যদি আপনার কাছে কোন ক্লিক ইনভ্যালিড মনে হয় তাহলে এই লিঙ্কে গিয়ে গুগলের কাছে রিপোর্ট করুন

  • কখনই আপনার নিজের এডে নিজে ক্লিক করবেন না, এমনকি কোন বন্ধু বা পাবলিক পিসি থেকেও না

  • ব্লগে রিরাইটেন বা কপি/পেষ্ট কন্টেন্ট ব্যবহার করবেন না

  • একই সময়ে একটার বেশি অ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যবহার করবেন না

  • একটা পেজ/পোষ্টে ৩টার বেশী এডস্লট ব্যবহার করবেন না

  • এড সাইজ বা কোড কাষ্টোমাইজ করবেন না

  • কোথাও থেকে ট্রাফিক কিনবেন না

এবং শেষ ও আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

  • যে ব্লগে অ্যাডসেন্স ব্যবহার করেন সেই ব্লগের ঠিকানা কাউকে বলবেন না, এমনকি আপনার বউকেও না কারণ ঝগড়া লাগলে উনিও কিন্তু ইনভ্যালিড ক্লিক করে বসবে :V

শেষ কথা

আজকে এই পর্যন্তই, আশা করি আপনারা যারা গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করার চিন্তা করতেছেন তাদের এই পোষ্ট কিছুটা হলেও কাজে লাগবে।

যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সের সাহায্যে করে ফেলুন, যতটা জানি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

আর হ্যাঁ, যদি লেখাটি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই, অবশ্যই আপনার ফেসবুক ও টুইটার প্রোফাইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Blog at WordPress.com.

Up ↑